হালিমা ইভা
দৃষ্টির অতলে মেলে পাপড়ি ,
সুমিষ্ট গন্ধযুক্ত ফুল, গুলাব।
কেন্দ্রের ভিতর ঘুরে সাফ সাফ সব প্যাকেজ মোড়ানো বেঁচে থাকার ডিল |
রোদে-রোদে রৌদ্রোজ্জ্বল
শৈশবদের খাঁচায় ঠাসায় আজন্মজনম ,
পুড়ে যায় ফুল, উড়ে যায় নাটাইবিহীন ঘুড়ি, হারিয়ে যায় ছেলেবেলা !
স্বভাবের মতো সকল রং মাখে সন্ধ্যা, চোখ বন্ধ করে ওভারব্রিজ নিয়েছে রঙিন জন্মদিনের কেক,
সস্তা দামির তফাৎ খোঁজা ۔۔۔۔۔۔۔
ধুলোর স্তরের নিচেও ধুলো জমিলো؛ আর্তনাদ চাপা পড়িলো ক্লান্তির সকল অপলক দৃষ্টি ,
স্তব্ধ ভাবে চেয়ে চেয়ে দেখা, চেনা পথকে অচেনায় রূপে পাগলের বোকামিতে বিলিয়ে দেয়া সকল আতরের গন্ধসুবাস|
চুপচাপ হেঁটে আশা۔۔
গুল্মলতার মতো উৎফুল্লতা সিঁড়ি বেয়ে উপরে উঠে, আমার আছে জল !
অনুভূতিকে দু’হাতে সরিয়ে প্রিয় ঢেকে দিলো সমস্ত অনুপম |
সূর্য উঠে গেলে, পাহাড়ের গায়ে আলো জ্বলে ؛
রেখা রেখা কিরণ ফোঁটে
জলতরঙ্গের মতো বিবেকের ঘাম ঝরে,
আবেগ জড়ানো অভিমানী মুখকে কুয়াশা সাথে নিয়ে পাহাড়ের চূড়োয় পাঠিয়ে দিয়ে,
প্রিয়জনের প্রয়োজন শেষ !
ফিরে আসার রাস্তা কেটে দিলে ۔۔۔۔۔۔
ভাঙ্গা গলায় খুঁচখুঁচিয়ে যাকে ডাকে পাহাড়সুতা ,
সে ঝোপঝাড় লালফুল স্বার্থপর !
ভ্রমরের তানে, ঝর্ণার ছলাৎ ছলাৎ শব্দে বধির, প্রয়োজন
তাইতো সুতো ফেলে রেখে, জীবন নিরালায় নিজ গৃহ খোঁজে |
মিথুনের মতো তোতাপাখি ডানার নিচে আর্তনাদ জমিয়ে রাখে ,
গোলাপ কাঁটা বিশ্বাসের অভিমুখে চলছেই অসীম
ফালি ফালি জোৎস্নায় করে দেখছে, নিঃশব্দে হেঁটে যাওয়া সাঁঝনামা কালো পর্দার অবশিষ্ট সেই সন্ধ্যেটাকে|
ভাষা জানি না
মানে বুঝি না
সকল দায় একাকী একজনেরই
খাবার যখন পায়ের নিচে
পিছন ফিরে দেখে নিলেই তো হয়
লভ্যাংশ মেপে|
প্রসঙ্গ যখন হারজিতের
কার প্রয়োজন কার প্রিয়জন হিসাব কষাই শ্রেয় |
এয়ামীরের মতন জল আর জন!
প্রবাহের কাছে সমাধান খুঁজে নেও
ওরে প্রিয়জনের দল |
লণ্ডভণ্ড নিরাশ্রয়ের ঘর
ঘুণেধরা সকল ফিরে পাওয়ার দ্বার |
মুক্তির আশায় যে পথ-পথিক ব্যাকুল ؛
মুক্ত করেছে প্রাণ, সে বিষাদ পথ |
এইবার হেঁটে যাও মুক্তির পথে সে সবুজ শিলা-শৈলীর মহলে |